| |

Ad

তারাকান্দা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ 

আপডেটঃ 4:35 pm | January 04, 2021

জাহাঙ্গীর তালুকদারঃ ময়মনসিংহের তারাকান্দা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বিজয় কুমার মিত্র যোগদানের পর থেকে ও অফিসের অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনিয়ম, দুর্নীতি, ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে ভূমি খাত দুর্নীতির বিষবৃক্ষে পরিণত হয়েছে। কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার লোভ-লালসার কারণে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রত্যাকটি চৌকাঠ পর্যন্ত দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে। লাগামহীন দুর্নীতি চলছে তারাকান্দা ইউনিয়ন ভূমি খাতে। 


জানা গেছে, গত ২৩-১১-২০২০ইং তারিখে স্থানীয় সেবা গ্রহীতাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউনিয়ন সহকারী কর্মকর্তা বিজয় কুমার মিত্র’কে তারাকান্দা উপজেলা সহ কারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিনা আক্তার যাচাইয়ান্তে নিশ্চত হয়ে এত স্মারক নাম্বারে-৩১•০০•৬১৮৮•০০১•০১•০০৩•২০-১৬৬ কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে শকোজ করে।


উল্লেখিত বিষয় , অফিস চালাকালীন সময় ইউনিয়ন ভূমি অফিস (তারাকান্দা) দুপুরে সম্পূর্ণ বন্ধ করতঃ তালা ঝুলিয়ে অন্যত্র গমন করেন । যা গণকর্মচারী শৃঙ্খলা (নিয়মিত উপস্থিতি) অধ্যাদেশ, ১৯৮২ এর ৫ ধারার লঙ্ঘন। কারণ দর্শানোর নিম্মত পত্র প্রাপ্তির পর আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে তারাকান্দা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা বিজয় কুমার মিত্র’কে। 
এ ছাড়াও খাজনা আদায় নামজারি, ভূমি অধিগ্রহণে চেক নীতিমালা ভঙ্গ করে নানান ক্ষেত্রে অবাধ দুর্নীতি রয়েছে। কর্তৃপক্ষের অবহেলা, উদাসীনতা ও দুর্নীতিপরায়ণ মানসিকতার কারণে জনসম্পৃক্ত অতিগুরুত্বপূর্ণ এই খাতের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। সরকারি সার্ভিস হোল্ডার এর নিয়ম অনুসারে তিন বছর পর পর কর্মকর্তাদএ বদলির নির্দেশনা থাকলেও এক্ষেত্রে তারাকান্দা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা’র চার বছর অতিবাহিত হলেও অজানা এক শক্তির উপর ভর করে দাপটের সাথে নিজের খেয়াল খুশি মত অফিস করে যাচ্ছেন।

তারাকান্দা মৌজার ভূমি উন্নয়ন কর ৫০০০ হাজার টাকা আদায় করে ভূমি কর্মকর্তা বিজয় কুমার মিত্র ৫০০টাকার চেক প্রধান করে বাকী টাকা আত্মসাৎ করে। এ বিষয়ে গত ১৯/১১/২০১৯ ইং তারিখে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে রনজিৎ সাহাগং। তারাকান্দা মধুপুর মৌজায় ৬৪৫ নং খতিয়ানে ৩৫৭নং দাগে ২•৮৫ একর চেক কাটার কথা থাকলেও তিনি সরকারি নিয়ম নিতির তোয়াক্কা না করে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে আংশিক ৩শতাংশ ভূমির চেক প্রধান করেন। হোল্ডিং তলব করলে বিষয়টি দৃষ্টিগোচরে আসবে।

এ ছাড়াও ওই ভূমি কর্মকর্তা বিজয় কুমার মিত্র যোগদানের পরে মোঃ ওবায়দুল্লাহ হোসেন খান খতিয়ান নম্বর ৭৯০/গত ২২-০৪-২০১৮ইং তারিখে ২৪০টাকার চেক প্রধান করেন। কিন্তু চলতি অর্থ বছরে ০•০৬০০ এত শতাংশ ভূমি উন্নয়ন কর দিতে গেলে মোটা অংকের অর্থ দাবী করেন।

এর মধ্যে রয়েছে শাহজাহান খান ও বদিউজ্জামানসহ অনেকেই এ বিষয়ে তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বারাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তারাকান্দা মৌজাস্ত তারাকান্দা বাজারের সাবেক ৫৮ নং দাগে সার্ভেয়ার ক্যাচমেন্ট ছাড়াই মোটা অংকের বিনিময়ে খারজি প্রধান করেছেন।

তারাকান্দা মৌজার ১৮৭নং দাগে মামলা চলমান অবস্থায় ভূমি খারিজ করে দেওয়ার গুরুতর আভিযোগ রয়েছে। যার বি আর এস পর্চা খলিল মন্ডল এর নামে। উক্ত বিষয় নিয়ে তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস জানান,লিখিত অভিযোগ পেয়েছি প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে ।


উল্লেখিত বিষয় নিয়ে তারাকান্দা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা বিষয় কুমার মিত্র সাথে কথা বললে কোন সত্তোত্বর দিতে পারেনি। ওই সকল বিষয় নিয়ে তারাকান্দা উপজেলা আ•লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ।