| |

Ad

ময়মনসিংহ সেতু নির্মাাণের তিনগুণ টাকা উঠলেও বন্ধ হচ্ছেনা টোলবাজি

আপডেটঃ 1:30 am | February 18, 2020

স্টাফ রিপোর্টার:- ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদ ছোঁয়া বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু-ত (শম্ভুগঞ্জ সেতু) এর নির্মাণ ব্যায় ছিল ৪৩ কোটি টাকা। ১৯৯২ সালের পহেলা জানুয়ারী যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়। আর প্রথম দিন থেকেই টোল আদায় শুরু হয়। গত ২৮ বছরে টোলের ইজারা বাবদ আদায় হয়েছে র্নিমাণ খরচের প্রায় তিনগুন। কিন্তু টোল আদায় বন্ধ হয়নি, বরং দিন দিন বাড়েছে।’

স্থানীয় নাগরিক পরিবহন পরিবহন মালিক-চালক-শ্রমিকরা দীর্ঘদিন যাবৎ এ সেতুর টোল মওকুফের দাবি জানালেও মোটেও কর্ণপাত করছেনা স্থানীয় সড়ক ও জানপথ বিভাগ (সওজ) ।’

উল্টো অর্থ ও সেতু মন্ত্রনালয়ের দোহাই দিয়ে চলেছে। সেতু নির্মাণের ব্যায়ের টাকা অনেক আগেই সরকার তুলে নিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান। অনুসন্ধানে জানা যায়, এসেতু দিয়ে দিনে ৫ হাজারেরও বেশি যানবাহন চলাচল করে ।’

যানবাহনের আকার ভেদে নির্ধারিত ১০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা। হেভি ট্রাক ১৩৫ টাকা , মিডিয়াম ট্রাক ১০০ টাকা, বড় বাস ৬৫ টাকা, মিনি ট্রাক ৭৫ টাকা, পাওয়ার টিলার ৬০ টাকা, মিনিবাস ৩৫ টাকা, মাইক্রোবাস ও হাযেস ৪০ টাকা, প্রাইভেট কার ২০ টাকা সিএনজিচলিত অটোরিকসা থেকে ১৫ টাকা ও সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা আদায় করা হয় ।’

গত অর্থ বছরে প্রায় ১৩ কোটি টাকার বিনিময়ে স্থানীয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) থেকে সেতুটির ইজারা নেয় মেসার্স মোস্তফা কামাল নামে একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা অভিয়োগ করেন,সেতু নির্মানের খরচ উঠেছে সেই কবেই। অথছ এখন প্রতি বছর কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই টোলের হার বাড়ছে। রাতে সম্ভুগঞ্জ সেতুটিতে কোন সড়কবতিই জ্বলে না ।’

ওই সময় অনেকটা আতষ্ক নিয়েই যানবাহন চালাতে হয়। সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, সরকারর নির্দেশেই বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু-ত (শম্ভুগঞ্জ সেতু) থেকে টোল আদায় হচ্ছে। আমরা শুধু ইজারা দেই। আর প্রতিদিনের টাকার হিসেব নিকেশ ইজারাদারী করে।