| |

Ad

ঝিনাইগাতীতে মহারশি নদীর রাবারড্যাম খুলে দিয়েছে কৃষকের ভাগ্যের চাকা

আপডেটঃ 3:55 pm | December 01, 2017

খোরশেদ আলম, শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর নলকুড়ার রাবারড্যাম খুলে দিয়েছে কৃষকদের ভাগ্যের চাকা। এ  রাবারড্যামের পানিতে অনাবাদি জমি আবাদের আওতায় এসেছে। এতে কৃষকদের মাঝে বইছে আনন্দের বন্যা। সেচ সুবিধার অভাবে যুগ যুগ ধরে প্রতি বছর বোরো মৌসুমে এসব জমি অনাবাদি থাকতো। চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে এ রাবারড্যামের পানিতে প্রায় প্রায় ১ হাজার হেক্টর অনাবাদি জমি আবাদের আওতায় আনা হয়েছে। এলাকাগুলো হচ্ছে, শালচুড়া, রাংটিয়া, গজারীকুড়া, গজারীপাড়া, জারুলতলা, মরিয়ম নগর, ডাকাবর, ফাকরাবাদ, মানিককুড়া, হলদিগ্রাম, বাঐবাধা, সন্ধ্যাকুড়াসহ প্রভৃতি এলাকা। এখানে একটি রাবারড্যাম নির্মাণের দাবী কৃষকদের দীর্ঘদিনের। কৃষকরা জানায়, দেশ স্বাধীনের পর থেকে বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে ড্যাম নির্মাণের ব্যাপারে আশ্বাসও পাওয়া যায়। কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় এলে কৃষকদের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক ২০১৩ সালে এ রাবারড্যামটির নির্মাণ কাজ হাতে নেন। জানা গেছে, জাইকা’র ৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি’র তত্ত্বাবধানে রাবারড্যামটি নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৬ সালে রাবারড্যাম নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। গত বছর বোরো মৌসুমে তুলনামূলক ভাবে কম জমি চাষাবাদের আওতায় আসলেও চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে প্রায় ১ হাজার হেক্টর জমি চাষাবাদের আওতায় আনা হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রষারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে। উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা বলেন, রাবার ড্যামের পানিতে ওইসব জমি আবাদের আওতায় আসলেও অপরিকল্পিতভাবে ড্যাম নির্মাণের কারণে ভাটি এলাকায় কিছু আবাদি জমি পতিত পরে থাকে।  কৃষি সম্প্রষারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. আব্দুল আওয়াল বলেন, রাবারড্যামের উজানে একটি মরা খাল রয়েছে তা খনন ও ড্রেন নির্মাণ করে আবাদি জমির পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে।  মহারশি নদীর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শামছ উদ্দিন বলেন, এ রাবারড্যামের পানিতে বোরো আবাদ করতে পেরে এলাকার প্রায় ২হাজার কৃষকরা এখন খুশিতে আত্মহারা। সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আগামীতে ড্রেন নির্মাণ করে আরও অনাবাদি জমি আবাদের আওতায় আনা হবে।