| |

Ad

ত্রিশালে ১৯ বছর ধরে চাকুরী করে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড় বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূর্নীতি বিরোধী অভিযান চললেও তিনি কিন্তু থেমে নেই! কে এই স্যানেটারি ইন্সপেক্টর! তার খুঁটির জোর কোথায়?

আপডেটঃ 4:12 pm | October 20, 2019

খ ম শফিক, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ:- ময়মনসিংহের ত্রিশালের স্যানেটারি ইন্সপেক্টর জেসমিন সুলতানা ভেজাল প্রতিরোধ করতে গিয়ে নিজেই ভেজালের আখড়া হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

তিনি ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে অবস্থিত বিভিন্ন খাবারের দোকান, মিষ্টির দোকান, মোদি দোকান, কসাইখানা, মাছের দোকানসহ নানাবিধ খাদ্য উৎপাদনকারী বা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে পণ্যের গুণগত মান যাছাই-বাছাই করার নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। কোন কোন ক্ষেত্রে লাইসেন্স বা সনদ দেয়ার নামে অর্থ বানিজ্য করে চলেছেন।

জানা যায়, উপজেলার প্রতিটি মিষ্টি উৎপাদনের কারখানা বা মিষ্টির দোকান, খাবার হোটেল, বেকারী, মোদির দোকানসহ অন্যান্য অনেক দোকান বা প্রতিষ্ঠান থেকে দোকান ভেদে ৫০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা করে বিনা রশিদে আদায় করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ত্রিশাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ স্যানেটারি ইন্সপেক্টর জেসমিন সুলতানা ২০০১ সালের ১২ জুন তারিখে ত্রিশালে যোগদান করে একাধারে প্রায় ১৯ বছর বহাল তবিয়তে দাপটের সাথে চাকুরী করে যাচ্ছেন।

ত্রিশালের স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ার সুবাদে তিনি কাউকে পরওয়া করে চলেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে। জনমনে প্রশ্ন, কে এই স্যানেটারি ইন্সপেক্টর! বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূর্নীতি বিরোধী অভিযান চললেও তিনি কিন্তু থেমে নেই! তিনি ত্রিশালে একাধারে ১৯ বছর ধরে চাকুরী করে গড়ে তুলেছেন নামে বেনামে সম্পদের পাহাড়। তাই অনেকের মনে প্রশ্ন, তার খুঁটির এত জোর কোথায়?

বিষয়টি জনগুরুত্বপূর্ণ বিধায় জরুরী ভিত্তিতে উর্ধ্বতন কর্তপক্ষের সুদৃষ্টি দেয়ার দাবী সচেতন মহলের।