| |

Ad

ময়মনসিংহ বালি শ্রমিক ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে বালি উত্তোলনে প্রতিবন্ধকতা নিরসনে বিক্ষোভ মিছিলসহ জেলা প্রশাসকের বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান।

আপডেটঃ 2:09 pm | October 16, 2019

মোহাম্মদ আলী: ময়মনসিংহ বালি শ্রমিক ইউনিয়ন গতকাল ১৬ই অক্টোবর সকাল ১১টায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে বালু উত্তোলনে প্রতিবন্ধকতা নিরসনে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান এর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদানসহ বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিলটি ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ অবস্থান পালন করে।

বিক্ষোভ মিছিলে সমাবেশে ময়মনসিংহ বালি শ্রমিক ইউনিয়ন এর সভাপতি মোঃ জালাল উদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও বালি শ্রমিক ইউনিয়ন এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ মকবুল হোসেন এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ কমিনিষ্ট্র পার্টির সভাপতি এড. এমদাদুল হক মিল্লাত, ট্রেড ইউনিয়ন ময়মনসিংহ জেলার সভাপতি মাহ্বুব বিন সাইফ, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও সাবেক ময়মনসিংহ জেলার সভাপতি মোঃ ফয়জুর রহমান, দোকান কর্মচারী ইউনিয়ন এর সভাপতি মুক্তার হোসেন, ট্রেড ইউনিয়ন ময়মনসিংহ জেলার সহ-সভাপতি কমল বসাক, বালি শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন গেসু, ট্রেড ইউনিয়ন নেতা দিলীপ কুমারসহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

নেতৃবৃন্দরা বলেন গত ৯ই অক্টোবর বালি শ্রমিকগণ অন্য এলাকা থেকে বালি উত্তোলন করে ভাংনামারী বালিঘাটে বালি বিক্রি করার জন্য ঘাটে নৌকা বেধে রাখে।

এসময় চলমান ভ্রাম্যমান আদালতের নির্দিশে বালি ভার্তি ৫টি নৌকার ইঞ্চিন ও নৌকা ভাংচুর করে নদীতে ডুবিয়ে দেয়। যে ৫টি নৌকা ভাংচুর করে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে নৌকা সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের জীবনে নেমে অনিশ্চয়তা।

তারা এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে। বালি শ্রমিকগণ ভাংনামারী নদী ভাঙ্গন এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করে না। অন্য এলাকা থেকে বালি উত্তোলন করে শুধু ভাংনামারী ঘাটে বিক্রি করে।

ইতিমধ্যেই ময়মনসিংহ বালি শ্রমিক ইউনিয়নের নির্দেশে বালি শ্রমিকদের দ্বারা বালি উত্তোলনে ব্যবহৃত নৌকা সমূহ চিহ্নিত করার জন্য বালি শ্রমিক ইউনিয়ন লিখা লাল পতাকা ও বালি শ্রমিক ইউনিয়ন নাম লিখা ক্রমিক নং যুক্ত স্টিলের প্লেট প্রতিটি বালি নৌকায় সংযুক্ত করা হয়েছে।

যাতে করে প্রকৃত ড্রেজার বিরোধী অভিযানে বালি শ্রমিকদের সাধারণ ইঞ্জিনযুক্ত নৌকা ভুলবশত ক্ষতিগ্রস্থ না হয় এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।