| |

Ad

নালিতাবাড়ীর ঘোঘড়াকান্দি সঃ প্রাঃ বিঃ ছোট্টরুমে অনেক শিশুর পড়াশুনা-সীমাহীন বিড়ম্বনা !

আপডেটঃ 1:38 pm | October 13, 2019


মাহফুজুর রহমান সোহাগ, নালিতাবাড়ী থেকেঃ শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের ঘোঘড়াকান্দি গ্রামেঅবস্থিত ঘোঘড়াকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। সরকারের মাইনরস্কুল উন্নয়ন বাজেটে স্কুলের নানাবিদ উন্নয়ন সম্ভব হয়ে উঠেনি। চার রোমবিশিষ্ট একটি মাত্র বিল্ডিংএপ্লে-১ম-৫ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীরা গাদাগাদি করে পড়াশু না করছে এই তিনটি রুমে। যেন বিড়ম্বনার শেষ নেই।

বিদ্যালয় সূত্রে, ১৯৭৯সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালিন সময়ে এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তিদের সহযোগিতায় একটি ছোট্ট টিনের ঘর দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষাযাত্রা শুরুহয়। অনেক পরে একটি হাফবিল্ডিং স্থাপিতহয়। বিদালয়ের জমি মোট ৬৯ শতাংশ রয়েছে খেলারমাঠ।

উপজেলারপ্রায় স্কুলেই সরকারের নানামুখি উন্নয়নে স্কুল গুলোর অভূতপূর্ব উন্নয়নহলেও এই স্কুলটির চাররোম বিশিষ্ট হাফবিল্ডিং ছাড়া তেমন কোন ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন হয়নি। বর্তমানে ৫ জন শিক্ষক নিয়ে একটানা সকাল হতে বিকেল পর্যন্ত বিরতীহীন ক্লাশেরমধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদান কার্যক্রম চলছে। এই ছোট্টরুম গুলিতেপ্রায় ১৭০ জন ছাত্র ছাত্রী নিয়ে শিক্ষকরা ক্লাসনিতে গিয়ে পড়ছেন না বিড়ম্বনায়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সার্বিক তত্বাবধানে প্রাথমিক বিদ্যালয়েবরা দ্ধকৃত অর্থে মাইনর মেরামতকার্য সম্পাদনে সম্প্রতি বিদ্যায়লটির অবস্থা বেহাল দশা। এই ছাদ মেরামত করতে গিয়ে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিদ্যালয় তৈরির সময় ঠিকাদার কর্তৃক নিন্মমানের কাজের কারনে এই বিদ্যালয় ভবন অত্যন্ত ঝুকিপূর্ন অবস্থায় পতিত হয়েছে। দিনদিন এটির অবস্থা আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। বিদ্যালয়ের দেওয়ালের বিভিন্ন অংশের কাজ ও ছাদ ঝুড়ঝুড়ে হয়ে গেছে।

মেরামত করতে গিয়ে হাতুরির বাড়িতে এটির অবস্থা আরও খারাপের দিকে গেছে। পরে এই ছাদ নতুন করে খোয়া দিয়ে ৬২ ফুট লম্বা ওপ্রস্থে ৩০ফুট ঢালাই করতে হয়েছে। ফলে পানিপড়া বন্ধ হয়েছে। একই সাথে বিল্ডিং এর দেওয়ালের অবস্থাও খারাপ।

সিমেন্ট কম দেওয়া কারনে বালুর প্লাষ্টার ধ্বসে পড়েযাচ্ছে। পরে এগুলিও মেরামত করা হয়েছে। বিশুদ্ধ পানিরজন্য একটি টিউবওয়েল বসানো হয়েছে।
এব্যাপারে ঘোঘড়াকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শফিকুলইসলাম বলেন, শিশুদের জন্য আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা চালুরলক্ষ্যে সারা দেশে যেভাবে পড়াশুনা হয় সেভাবেই বিদ্যালয়কে সাজানোর আপ্রান চেষ্টা আমরা করে যাচ্ছি।

সরকারের ব্যাপক ভিত্তিক এই উন্নয়ন কাজে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ের জন্যই শিক্ষা বান্ধব পরিবেশে রসৃষ্টি হলেও বিদ্যালয়ের নানা সমস্যার কারনে আমরা শিক্ষাদান করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছি। কারন পর্যাপ্ত ক্লাসরুম নেই। বাড়তি আলাদা কোনঘরও নেই।

শিশুদের আধুনিক ওয়াশব্লক, পানির সাবমারছেবলপাম্প, ফুলের বাগান এবং শহীদ মিনার নেই। একই সাথে এই স্কুলমাঠটিতে মাটিভরাট করতে হবে। সর্বশেষ একটি একটি বাউন্ডারী ওয়ালও নির্মান করতে হবে।

কারন সাথেই রাস্তা। এই বিষয়গুলি স্কুলের জন্য অত্যাবর্শকীয় হয়ে পড়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করার জন্য আকুল আবেদন জানাচ্ছি