| |

Ad

কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প:প: কর্মকর্তা তাজরীনার গড় হাজিরায় স্বাস্থ্যসেবার বেহাল দশা

আপডেটঃ 3:43 pm | October 05, 2019

সাইফুল আলম:- নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সটি চিকিৎসক ও জনবল সংকটের ফলে স্বাস্থ্য সেবা নাজুক হয়ে পড়েছে। শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,প: প: কর্মকর্তা ডা: তাজরীনা তৈয়ব অনুপস্থিত রয়েছেন।

গত বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত চার দিন তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ দিকে (৫অক্টোবর) শনিবার কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের মাসিক সমন্বয় সভাও উনার অনুপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়েছে।

এখন প্রশ্ন হল প:প: কর্মকর্তা যদি গড় হাজিরা দেন,তাহলে অন্য কর্মকর্তারা কি সঠিক দায়িত্ব পালন করবেন? হাসপাতাল ঘুরে ফিরে দেখা গেল ১জন ডাক্তার রোগি দেখছেন।দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষার পর রোগীরা সেবা না নিয়েই বাড়ী ফিরছেন।

জরুরী বিভাগেও চিকিৎসক ও জনবল সংকটের অনুরুপ দৃশ্য চোখে পড়ে।পরিসংখ্যানবিদ আব্দুল বাসেত চৌধুরী চিকিৎসক ও জনবল সংকটের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে মজ্ঞুরীকৃত ২২জন মেডিকেল অফিসারের মধ্যে ইউএইচএফপিওসহ কর্তব্যরত রয়েছেন ডেন্টাল ডা: মাহমুদুর রহমান,উপসহকারী মেডিকেল অফিসার ডা:মাসুদ রানা, ডাঃ তাহমিনা, ডাঃ এ জেট রায়হান কবীর ও ডাঃ মারুফ হাসান শুভ।স্টোর কিপার জুবায়ের আহম্মেদ ১২.৩০ মিনিটে অফিসে এসে ঘন্টা খানিক অবস্থান করে আবার অফিস থেকে উধাও হয়ে যান।

বাকী ৯টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রই ডাক্তার শুন্য। জুনিয়ার কনসালটেনডেন্ট ১০জনের মধ্যে ১জনও নেই।মেডিকেল অফিসার ৬জনের মধ্যে রয়েছেন ২জন। গাইনি,মেডিসিন, সার্জারি ও এনেসথেসিয়া পদের কেউ নেই।সহ-ডেন্টাল সার্জন ডা: নুর আক্তার হাফিজা সম্প্রতি বদলি হয়ে গেছেন।

ইউনানী মেডিকেল অফিসারও নেই।অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর ৩জনের মধ্যে আছেন ১জন।এসটি (ল্যাব) ৩জনের মধ্যে ১জনও নেই।ফার্মাসিস্ট ২জনের মধ্যে আছেন ১ জন।ওয়ার্ডবয় ৩জনের মধ্যে ১জনও নেই।এমএলএসএস ৪জনের মধ্যে রয়েছেন ১জন।

সেবিকা ২০জনের মধ্যে ৪জন ডেপুটেশনে।মিড ওয়াইফ ৪জনের মধ্যে বহিরাগত প্রেষণে রয়েছেন ৩জন।ডাক্তার জুবায়ের আহমেদ নওপাড়া উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্তব্যরত থাকলেও দীর্ঘদিন যাবত কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত রয়েছেন।

এদিকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি স্থানীয় সাংসদের বিশেষ নজরদারিতে কিছু পরিবর্তন আসলেও জনবল ও চিকিৎসক সংকট দুর না হওয়ায় চিকিৎসা সংকট লেগেই রয়েছে। এলাকাবাসী কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।