| |

Ad

নালিতাবাড়ীর বালুঘাটা সঃ প্রাঃ বিঃ নিন্মাঞ্চলে হলেও মেধা ও গুনে শ্রেষ্ঠ স্কুল

আপডেটঃ 2:05 pm | September 30, 2019


মাহফুজুর রহমান সোহাগ, নালিতাবাড়ী থেকেঃ শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপাড়ইউনিয়নের বালুঘাটা গ্রামে অবস্থিত বালুঘাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এলাকাটি নিœাঞ্চলে হলেও সরকারের স্কুল উন্নয়ন বাজেটে স্কুলের নানাবিদ উন্নয়ন আর শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার মানেগুনে জেলা ও উপজেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে বিদ্যালয়টি। মেধা তালিকায় বিদ্যালয়টি সেরা হওয়ায় বিদ্যালয় মুখি হচ্ছে গ্রামের শিশু শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যালয় সূত্রে, ১৯৬৪ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।

এলাকাটি নি¤œাঞ্চল হলেও তৎকালিন সময়ে এলাকাসীর সহযোগিতায় একটি দুচালা ছোট্ট টিনের ঘর দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষা যাত্রা শুরু হয়। শুরু থেকেই স্কুলটির প্রতি এলাকাবাসীর সহযোগিতা ছিল। পরে আরেকটি দুতলা বিল্ডিং স্থাপিত হয়। বিদালয়ের জমি মোট ৫০ শতাংশ। রয়েছে ছোট মাঠ। পাশেই পূর্ব দিকে ছোট ১টি পুকুর। এখানে সরকারের নানামুখি উন্নয়নে স্কুলটির পরিবর্তন হয়েছে।

বর্তমানে ৬ জন শিক্ষক নিয়ে একটানা সকাল হতে বিকেল পর্যন্ত বিরতীহীন শিক্ষাদান কার্যক্রম চলছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সার্বিক তত্বাবধানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বরাদ্ধকৃত অর্থে মাইনর মেরামত কার্য সম্পাদনের অংশ হিসাবে সম্প্রতি বিদ্যায়লটির নানাবিদ উন্নয়নও হয়েছে। এখন বিদ্যালয়ের যে পুকুরটি রয়েছে সেটির মাটি ভরাট করতে গিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষহিমশিম খাচ্ছে। তবে ভরাটের কাজ চলছে।এদিকে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল নেই। সাথে যে রাস্তটি রয়েছে সেটিও অবস্থা নাজেহাল। ভেঙ্গেচুড়ে রাস্তার অবস্থা খারাপ।
এব্যাপারে বালুঘাটাসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুলহায়দার বলেন, শিশুদের জন্য আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে সারা দেশে যেভাবে পড়াশুনা হয় সেভাবেই বিদ্যালয়কে সাজানো হয়েছে। আমরাও সেই ভাবেই গ্রামে থেকেও ভাল রেজাল্টে আমরা সফল হয়েছি।সরকারের ব্যাপক ভিত্তিক এই উন্নয়ন কাজে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ের জন্যই শিক্ষা বান্ধব পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৭ সালে এই স্কুল হতে সমাপনি পরিক্ষায় ১২ জন বৃত্তি পায়। এরমধ্যে ৯জন টেলেন্টপুলে বৃত্তি পায়।

এই ভিত্তিতেই নালিতাবাড়ী উপজেলা ও শেরপুর জেলায় শ্রেষ্ট বিদ্যালয় এবং ঢাকা বিভাগে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় হিসাবে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করেছে। এই বিদ্যালয় থেকেই একজন শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসাবে আবুল কালাম আজাদ ভিয়েতনাম সফর করেন। তাই বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের মেধা ও সজ্জিত করনে বিদ্যালয়ে এখন শিক্ষর্থীদের উপস্থিতিও ও শিক্ষার মান দুটোই বেড়েছে। একই সাথে এই স্কুল মাঠটির পাশের পুকুরটির মাটি ভরাট করতে পারলে বিদ্যালয়ের মাঠটি বড় হবে এবং সেই সাথে বাউন্ডারি ওয়ালটি হয়ে গেলে সার্বিক নিরাপত্তার দিকটাও সঠিক থাকে। এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।