| |

Ad

হালুয়াঘাট হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটঃ 2:08 pm | September 04, 2019


দুলাল রায়:-সীমান্তবর্তী হালুয়াঘাট উপজেলায় ৩ সেপ্টেম্বর হালুয়াঘাট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা মাসিক সভা হাসপাতাল হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ট সাংসদ মাটি ও মানুষের নেতা প্রয়াত মন্ত্রী প্রমোদ মানকিনের সুযোগ্য সন্তান মাননীয় জুয়েল আরেং এমপি। বিশেষ অতিথি মাহমুুদুল হক সায়েম উপজেলা চেয়ারম্যান হালুয়াঘাট। রেজাউল করিম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হালুয়াঘাট। খায়রুল আলম ভূঞা, পৌর মেয়র হালুয়াঘাট, বীর মুক্তিযোদ্ধা কবিরুল ইসলাম বেগ, অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ, ডা: তাপস রেমা, জয়রামকুড়া, ওয়ারিছ উদ্দিন সুমন চেয়ারম্যান ১০ নং ধুরাইল ইউনিয়ন পরিষদ, বক্তারা হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে কথা বলেন। এসকল অনিয়মের মধ্যে রয়েছে, ডাক্তারদের পোস্টিং থাকলেও ডাক্তাররা অনুপস্থিত থাকলেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর ঠিকই রয়েছে। জরুরী বিভাগে বিভিন্ন অনিয়ম চাহিদা অনুযায়ী ঔষধ সরবরাহ কম, নির্ধারিত সময়ের আগেই ডাক্তারদের হাসপাতাল ত্যাগ করে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকে গিয়ে রোগী দেখেন। মলমূত্র পরীক্ষাগারেও রয়েছে একই অনিয়ম। হাসপাতালে সংরক্ষিত ডাক্তারের আসনে বসে সহকারীগণ ডাক্তার পরিচয়ে রোগী দেখেন আবার ভিজিটও চান। এর মধ্যে আনিসুর রহমান ও নাসির উদ্দিন অন্যতম। সরকারী টিকিটের দাম ৩ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ নিচ্ছে ৫ টাকা। হালুয়াঘাট হাসপাতালটি বাহিরে ও ভিতরে অপরিচ্ছন্ন। হাসপাতালের আয়া ও ঝাড়–দার সবাই হয়ে গেছে ডাক্তার ও নার্স। হাসপাতালের ভিতরে প্রাইভেটকার পার্ক করে রাখা হয়। প্রাইভেট ক্লিনিক ও প্রাইভেট হাসপাতালে ঘুরাফেরা করতে দেখা যায় প্রতিনিয়ত। হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে দুর্নীতির বিষয়ে কোন ভূমিকা না নেওয়া ডাক্তার আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠে। বক্তারা বলেন হাসপাতালের বিভিন্ন দুর্নীতি, অনিয়মের কথা আমরা জানলেও এই হাসপাতালের বড় সমস্যা আব্দুল কাদির নিজেই। তাকে যত দ্রুত বদলী করা সম্ভব হালুয়াঘাট হাসপাতালের ততই মঙ্গল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডা: খায়রুল হাসান জুয়েল।