| |

Ad

ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্পূর্ণ অরক্ষিত, ছিনতাইকারী ও মাদকসেবীর নিয়ন্ত্রণে

আপডেটঃ 2:16 pm | September 01, 2019


ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা : ময়মনসিংহ ত্রিশালের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চার পাশের সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে স্থানীয় বাসাবাড়ির চলাচলের রাস্তা নির্মাণে নিয়মিত চুরি-ছিনতাই এর অভিযোগ। দূর-দূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা হাসপাতালের ওয়ার্ড/কেবিনে ভর্তি হওয়া অসুস্থ্য মানুষ ও তাদের স্বজনদের মোবাইল, টাকা-পঁয়সা সহ দামি জিনিস পত্র খোঁয়া যাচ্ছে প্রায় প্রতিদিন।
প্রাচীর ভেঙ্গে রাস্তা নির্মাণে মাদক সেবিদের নিরাপদে নির্বিঘেœ মাদক সেবনের অভয়াশ্রমে পরিনত এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এদের উপদ্রুপ হতে কোয়ার্টার কিংবা ডলমেটরিতে থাকা হাসপাতাল স্টাফরাও রেহাই পাচ্ছে না। অনুপস্থিতিতে সময় সুযোগ বুঝে তালা ভেঙ্গে চুরি-ডাকাতির ঘটনা হর-হামেশায় ঘটছে। অভিযোগে প্রতিকার না পাওয়ায় থানা পুলিশ জটিলতা এড়িয়ে যাচ্ছেন ভোক্তভোগিরা।
মাদক সেবিরা কেউ হাসপাতালে ভর্তি থাকে আবার কেউ খালি সীটে শোয়ে থাকে। সময় সুযোগ বুঝে, ঘুমে অচেতন রোগী-স্বজনদের মোবাইল, টাকা-পঁয়সা সহ দামি জিনিসপত্র নিয়ে হঠাৎ করে উধাও হয়ে যায় বলে ভোক্তভোগিরা অভিযোগ করেন।
এ প্রতিবেদক মুঠোফোনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান ফকিরের সাথে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিষয়টি নিয়ে তিনি তার উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন- মাত্র একজন নাইট গার্ড ও একজন সুঁইপার দিয়ে এতবড় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা দুষ্কর ব্যপার। এর মধ্যে ফোরলেন রোড সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় হাসপাতালটির অবস্থানের কারনে প্রতিদিন দূর্ঘটনা কবলিত প্রচুর রোগীর সেবায় নিয়োজিত মাত্র পাঁচজন চিকিৎসক যেখানে পূর্বে ত্রিশ জনের উপরে ছিলেন। ঔষধ, প্রয়োজনীয় উপকরণ ও চিকিৎসক সহ পর্যাপ্ত জনবল সংকটে হাসপাতালটি পরিচালনায় হিমশিম খেতে হচ্ছে নিয়মিত। পর্যপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা সিকিউরিটি/নাইট গার্ড না থাকা সহ বেষ্টনী প্রাচীর পুর্ণনির্মাণের মাধ্যমে এসব গুপ্ত পথ বন্ধ করলে এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সহায়ক হবে বলে বিজ্ঞ-জনেরা মত দিয়েছেন।
বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ এ প্রতিষ্ঠাটির নিরাপত্ত নিশ্চিত করনের মাধ্যমে জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান ত্রিশালবাসী।