| |

Ad

সড়ক যেন নয়, আবাদী জমি

আপডেটঃ 3:00 pm | August 27, 2019

রফিক বিশ্বাস, তারাকান্দা (ময়মনসিংহ) থেকে ॥ ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আনন্দীপুর গ্রামে দেড় কিঃমিঃ কাচাঁ রাস্তা দুই উপজেলাবাসী দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
জানা গেছে, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চরসিরতা ইউনিয়নের আনন্দীপুর স্কুল হতে তারাকান্দা উপজেলার মধুপুর সি.এন্ড.বি রাস্তা পর্যন্ত সড়কের আনন্দীপুর হইতে চরবড়বিলা পাকা রাস্তা মোড় পর্যন্ত দেড় কিঃমিঃ কাচাঁ রাস্তা বৃষ্টি হলেই আবাদী ভূমিতে পরিণত হয়। ফলে দুই উপজেলার জনসাধারন ও স্থানীয় লোকজনের যাতায়তের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, তারাকান্দা উপজেলার মধুপুর সি.এন্ড.বি রাস্তা হইতে গোপিনাথপুর মালিবাজার পর্যন্ত সড়কটি পাকা এবং সদর উপজেলার গোপিনাথপুর মালিবাজার হইতে চড়বড়বিলা চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রায় দুই কিলো ইটের সলিং করা হয়েছে। বড়বিলা চৌরাস্তা হইতে আনন্দীপুর স্কুল পর্যন্ত প্রায় দেড় কিঃমিঃ কাচাঁ রাস্তার দু-পাশে মৎস চাষের পুকুর দিয়ে সড়কটি পাড় হিসেবে ব্যবহার করছে। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলে ওই রাস্তা দিয়ে লোকজন যাতায়ত করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্থানীয় শিক্ষার্থীরা বৃষ্টি হলে ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়ত করতে না পারায় বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকে। স্থানীয়রা জানান, তারাকান্দা, ফুলপুর, ধোবাউড়া উপজেলার লোকজন তাদের উৎপাদিত কৃষি পন্য ওই রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত বিক্রির জন্য ময়মনসিংহ শহরে নিয়ে যায়। মৎস্য ব্যাবসায়ী এমদাদুল হক বলেন, ময়মনসিংহ শহরে যেতে হয়। বৃষ্টি হলে ওই রাস্তায় পানি জমে থাকার কারনে রাস্তা খারাপ হয়ে পড়ে। ফলে গাড়ী ভাড়া দ্বিগুণ গুনতে হয়। ময়মনসিংহ মুমিনুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের গনিত বিভাগের সহকারি অধ্যাপক এ এন এম কামরুজ্জামান বলেন, তিনি সাপ্তাহে প্রায় ৪/৫ দিন এই কাচাঁ রাস্তা দিয়ে যাওয়া আসা করেন। দুপাশে ফিসারির থাকায় সামান্য পরিমান বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। দেখলে মনে হয় সড়ক যেন নয়, আবাদী জমি। রাস্তাটি পাকাকরনের জন্য তিনি সিরতা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদসহ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।