| |

Ad

ঝিনাইগাতীর কান্দুলী আশ্রয়নবাসীর ভাগ্যে জুটেনা কোরবানীর মাংস

আপডেটঃ 2:00 pm | August 05, 2019

এসএম নয়ন, ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীর কান্দুলী আশ্রয়নবাসীর ভাগ্যে জুটেনা কোরবানীর মাংস। অভাব-অনটন, দুঃখ আর দুর্দশাই আশ্রয়নের বাসিন্দাদের নিত্য সঙ্গী। একবেলা খেলে আরেকবেলা জুটেনা খাবার। নারী-পুরুষ, শিশুসহ প্রায় ৪ শতাধিক লোকের বসবাস এখানে।
জানা গেছে, ১৯৯৯ সালে উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের, কান্দুলী গ্রামে সাড়ে ৭ একর সরকারী খাস জমির উপর ৬টি সেডঘর নির্মাণ করা হয়। ওই ৬টি ঘরে ৬০টি কক্ষ রয়েছে। প্রতিটি কক্ষে ১জন করে ছিন্নমূল ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়। আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা মোঃ আজাহার আলী জানান,তাদের মাথা গুঁজার ঠাঁই হলেও রয়েছে কর্মসংস্থানের অভাব। কর্মসংস্থানের অভাবে ও জীবিকার সন্ধানে অনেকেই পাড়ি জমিয়েছেন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। বছরের দুই ঈদে বাড়ী ফিরে আসেন তারা। শত অভাব অনটন দুঃখ আর দুর্দশা বুকে চেপে রেখে এখানে বসবাস করছেন তারা। আশ্রয়ন প্রকল্প কমিটির সভাপতি হারুন-উর-রশিদ ও সাধারন সম্পাদক দুদু মিয়াসহ আশ্রয়ণের বাসিন্দারা জানান, এ প্রকল্পটি নির্মানের পর কেউ আর তাদের খোঁজ-খবর নেয়নি। সবাই দিন মজুরি করে কোনমতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। এ আশ্রয়নের বাসিন্দারা পায় না উল্লেখযোগ্য কোন সরকারী সাহায্য সহযোগিতা। রোগে-শোকে ও খাদ্যের অভাবে স্বাস্থ্যহীনতায় ভূগছে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ আশ্রয়নের বাসীন্দরা।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে গিয়ে জানা গেছে, তাদের এসব অর্র্বণীয় দুঃখ আর দুর্দশার কথা। আশ্রয়নের বাসিন্দা মনোয়ারা, আনোয়ারা, ছাহারা, মাহফুজা আক্ষেপ করে বলেন, ঈদ আসে ঈদ যায়। কিন্তু আমাদের ভাগ্যে জুটেনা না কোরবানীর মাংস। তারা অতি কষ্টে দিনাতিপাত করে আসছে। গত কোরবানীর ঈদে সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক চাঁন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সম্পাদক নাছরিন বেগম ফাতেমা ও ধানশাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামসহ ৩ জনের দেয়া ৩০ হাজার টাকায় একটি গরু জুটে ছিলো আশ্রয়নবাসীর ভাগ্যে। এবারো হয়তো জুটবেনা আশ্রয়নবাসীর ভাগ্যে কোরবানীর মাংস। এ আশংঙ্কা আশ্রয়নবাসীদের। আশ্রয়ন প্রকল্পের সভাপতি হারুন-উর-রশিদ এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের বিত্তবানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।