| |

Ad

‘‘দুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবি” কলমাকান্দায় বন্যার্ত মানুষের পাশে সাংসদ মানু মজুমদার

আপডেটঃ 3:37 pm | July 13, 2019


অবিরাম বৃষ্টি, গারো পাহাড় থেকে নেমে আসা প্রবল পানি প্রবাহ ও সুনামগঞ্জের উব্দী পানি প্রবাহে কলমাকান্দা উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ইতিমধ্যেই প¬াবিত হয়েছে। বিগত তিন দিন যাবৎ পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় উপজেলার উব্দাখালী, মহাদেও, গনেশ্বরী, বাকলা ও কংস নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আন্তঃ যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়েছে। সর্ব স্তরের মানুষের দূর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। গো খাদ্যের অভাবে গবাদি পশু রক্ষা করা দূরূহ হয়ে পড়েছে। সরকারি ভাবে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হলেও এখন পর্যন্ত কোন আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন না করায় বন্যার্ত পরিবারগুলো অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে বিভিন্ন বিদ্যালয় সমূহে অবস্থান নিয়েছে। জরুরীভাবে আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন করা আবশ্যক। শনিবার সাংসদ মানু মজুমদার দিন ব্যাপী পোগলা, বড়খাপন, রংছাতি, খারনই, লেংগুরা, নাজিরপুর ও কলমাকান্দা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে বন্যার্তদের পাশে থেকে উলে¬খযোগ্য পরিমাণ চাউল ও শুকনো খাবার প্যাকেজ বিতরণ চালিয়ে যাচ্ছেন। সাংসদ বন্যার্ত মানুষদের জন্য সকল প্রকার সাহায্য ও সর্ব প্রকার সহায়তার আশ্বাস ও কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। এ সময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল খালেক তালুকদার, ভারপ্রাপ্ত ইউএনও রুয়েল সি সাংমা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, ওসি মাজহারুল করিম, ইউপি চেয়ারম্যান হাদিছুজ্জামান হাদিছ, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতা আব্দুল আলী বিশ্বাস, মিজানুর রহমান সেলিম, পলাশ কান্তি বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীগণ ব্যাপক ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন। সাংসদ মানু মজুমদার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি চন্দন বিশ্বাস ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল খালেক তালুকদার কলমাকান্দা উপজেলাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি জোড় দাবি জানান।

সংযুক্ত ছবি : কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) ঃ নেত্রকোণা-১ আসনের সাংসদ মানু মজুমদার কে বন্যার্ত মানুষদের পাশে থেকে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে।