| |

Ad

মুক্তাগাছায় বন্ধকি জমি রেখে বিপাকে প্রান্তিকচাষী মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার

আপডেটঃ 10:50 am | July 03, 2019


মুক্তাগাছা মন্ডল সেন গ্রামের এক প্রান্তিক চাষী বন্ধকী জমি রেখে, বন্ধকদাতার মিথ্যা মামলার হয়রানির শিকার হয়েছে।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায়, মন্ডল সেন গ্রামের ইব্রাহিমের পুত্র নূরুল ইসলাম একই গ্রামের জবেদ আলীর পুত্র আব্দুল মতিন এর প্রতিবেশী। মতিন ঢাকায় থাকেন। তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। অন্যদিকে নূরুল ইসলাম একজন কৃষক। সে গ্রামে বসবাস করে। ২০১২ সালে আব্দুল মতিন নূরুল ইসলামকে তার ১৭কাঠা জমিতে মাছ চাষ, গরুর খামার করে ব্যবসা করার জন্য স্ট্যাম্পে লিখিত ভাবে দেন এবং চুক্তিবদ্ধ হোন এবং ৫৮ শতাংশ জমি তাকে বর্গা হিসেবে চাষাবাদ করতে দেন।।

আব্দুর মতিন ও নূরুল ইসলাম যৌথ ভাবে ৪০ লাখ টাকা পুজি বিনিয়োগ করবে, এই শর্তে নূরুল ইসলাম তার অংশের ২০ লাখ টাকার মধ্যে ১৬ লাখ টাকা খরচ করে গরুর খামারে দেন। ফিসারির ও পুকুর খনন করে ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু আব্দুল মতিন তার অংশের টাকা বিনিয়োগ করতে গড়িমসি করতে থাকে। ফার্মের কর্মচারী নজরুল ইসলাম এর বেতনের টাকা পর্যন্ত দেন নি।এসব ঘটনা ঢাকতে আব্দুল মতিন মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুলিশের বরাবরে একটি অভিযোগ করলে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে নূরুল ইসলাম এর পক্ষেই রিপোর্ট প্রদান করেন। এতকিছুর পরও আব্দুল মতিন একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ অব্যাহত রেখেছে।

গত ৬/৫/২০১৯ ইং তারিখ নূরুল ইসলাম তার চুক্তিবদ্ধ দলিল মূলে তার আবাদ করা ধান কাটতে গেলে আব্দুল মতিন সহ তার ভাড়াটিয়া লোকজন নূরুল ইসলাম ও নজরুল ইসলাম এর উপর হামলা করে গুরুতর জখম করে। এই ব্যাপারে নূরুল ইসলাম বাদী হয়ে মুক্তাগাছা থানায় মামলা করে। মামলা নং ১৩ তারিখ ১১/৫/১৯।

অন্য আসামী আব্দুল মতিন মামলা থেকে বাঁচতে নূরুল ইসলাম গংদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করছে।উল্লেখ্য আব্দুল মতিন নূরুল ইসলাম কে ব্যবসার প্রলোবন দেখিয়ে তার পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করিয়ে তাকে পথে বসিয়েছে। তাছাড়া টাকার জোরে নূরুল ইসলামকে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে ।

নূরুল ইসলাম গংদের অযথা হয়রানি করছে। গত ১৮/৫/২০১৯ ইং তারিখ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম এর বাড়িতে গিয়ে আব্দুল মতিনের স্বাক্ষর সম্বলিত স্ট্যাম্পটি জব্দ করে নিয়ে আসেন।এই ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান আব্দুল মতিনের একাধিক দলিল রয়েছে। এই দলিলে প্রকৃত আব্দুল মতিনের স্বাক্ষর হয়েছে কিনা তা যাচাইয়ের করার জন্য জব্দ করা হয়েছে।

এদিকে গত ২৫/৬/২০১৯ তারিখে মুক্তাগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ স্বাক্ষরিত একটি নোটিশ নুরল ইসলামের নামে পাঠানো হয় যাতে ২৬/৬/২০১৯ কারিক তার স্বপক্ষে সকল কাগজপত্র নিয়ে থানায় উপস্থিত থাকেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ হোমায়ুন কবির অভিযোগের তদন্ত করবেন বলে জানানো হয়। নুরুল ইসলাম তার স্বপক্ষে সকল কাগজপত্র নিয়ে তদন্ত স্থলে হাজির হন। তদন্ত অফিসার নুরুল ইসলামকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর দিতে বললে সে তা করতে অস্বীকার করে স্থান ত্যাগ করেন।

বর্তমানে সে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে। তাছাড়া প্রধান সাক্ষী নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য সাক্ষীদের পুলিশ ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান। এদিকে অভিযোগের বাদী আঃ মতিন সহায় সম্বলহীন নুরুল ইসলামের চুক্তিবদ্ধকৃত জমির উপর তৈরী বাড়ীঘর থেকে তাকে উচ্ছেদের পায়তারাসহ প্রাননাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, তাকে হত্যার চেষ্টা মামলার আসামী মন্নেছ আলী প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করলেও পুলিশ রহস্যজসক কারণে গ্রেফতার করছে ন্ া