| |

Ad

ময়মনসিংহ-৪ সদর আসন রওশন এরশাদকে সমর্থন দিয়ে আমিনুল হক শামীমের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

আপডেটঃ 4:38 am | December 09, 2018

নিজস্ব প্রতিবেদক,ময়মনসিংহ :
আওয়ামী লীগ সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দাখিলকৃত স্বতন্ত্র প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ময়মনসিংহ জেলাআওয়ামীলীগেরসহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই’রসাবেকপরিচালক, ময়মনসিংহ চেম্বার অফ কামার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজেরসভাপতিমোঃ আমিনুল হক শামীম সিআইপি। এই আসনে মহাজোট প্রার্থী জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদকে সমর্থন করে তিনি বলেন রওশন এরশাদকে জয়ী করার লক্ষ্যে আপ্রাণ চেষ্টা করবো এবং তিনি জয়ী হবেন ইনশাল্লাহ।’ শনিবার দুপুরে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাসের হাতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের চিঠি পৌছে দেন চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজেরসহ-সভাপতিশংকরসাহা। গতকালশনিবার দুপুরে জেলা চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সম্মেলনকক্ষেঅনুষ্ঠিতসংবাদ সম্মেলনেআমিনুল হক শামীম বলেন, ‘বিগত ১০ বছর বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে গেলেও স্থানীয় রাজনৈতিক সমন্বয়হীনতা ও অযোগ্য নেতৃত্বের কারণে ময়মনসিংহের কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক তরুণ ভোটারের আশা-আকাঙ্খার প্রত্যাশা পূরণসহ বিপুল ভোটে বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনটি দেশরত্ব শেখ হাসিনাকে উপহার দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে প্রার্থী হয়েছিলাম।’ বঙ্গবন্ধু কন্যা, দেশরত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শান্তি, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আগামী ৩০ ডিসেম্বর মহাজোট প্রার্থীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার জন্য দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন আমিনুল হক শামীম । সংবাদ সম্মেলনেআরোউপিস্থিত ছিলেনসাবেকময়মনসিংহ জেলাছাত্রলীগেরসাধারণসম্পাদকশামসুলআলমতালুকদার, জেলাআওয়ালীলীগসদস্য তরিকুলইসলামতারেক, চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজেরসহ-সভাপতিশংকরসাহাপ্রমূখ।এদিকে জাতিরজনকেরসুযোগ্য কণ্যামাদারঅবহিউম্যানিটি শেখহাসিনার নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধশালীউন্নতবাংলাদেশ বিনির্মাণেঅবদানরাখারলক্ষ্যে ময়মনসিংহ জেলাআওয়ামীলীগেরসহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই’রসাবেকপরিচালক, ময়মনসিংহ চেম্বার অফ কামার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজেরসভাপতিমোঃ আমিনুল হক শামীম সিআইপি ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীতা প্রত্যাহার করায় আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সদ্য গঠিত জয়বাংলা নাগরিক পরিষদের আহবায়ক বর্ষিয়ান আইনজীবী, প্রবীণ রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান খান ও সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আমিন কালাম ও যুগ্ম-আহবায়ক (অর্থ) লায়ন ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে আমিনুল হক শামীম সিআইপি বলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (সাবেক ময়মনসিংহ পৌরসভা) ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বিউটিফিকেশনসহ নানা উন্নয়নযজ্ঞ উপহার দিলেও অন্যক্ষেত্রে আমাদের ময়মনসিংহ পৌঁছতে পারেনি উন্নয়ন মহাসড়কে। আমাদের আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমন্বয়হীনতার কারণে ত্রিশালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হাতছাড়া হয়েছে। তিনি বলেন ব্রক্ষপুত্র নদের ওপারে স্বপ্নের বিভাগীয় শহরের গোড়াপত্তনও থমকে আছে কতিপয় রাজনীতিবীদদের কুটকোশলী আচরণের জন্য। স্বাধীনতার পর এখন পর্যন্ত ময়মনসিংহে মাঝারী ও ভারী কোনধরনের শিল্প-কারখানা এমনকি শিল্পাঞ্চলসহ ইপিজেট গড়ে ওঠেনি যার ফলে ময়মনসিংহের মানুষ তথা যুব সমাজ বিভিন্ন কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হয়েছে।আমিনুল হক শামীম বলেন নেতৃত্বের দুর্বলতার কারণেই জমি নিয়ে কোন্দল-রেষারেষিতে মুক্তাগাছায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র হয়নি। এসব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক সমন্বয় ও যোগ্য নেতৃত্বের ভূমিকা জরুরি। ময়মনসিংহের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এমন উন্নয়ন বঞ্চনা সবার মতো আমার হৃদয়েও রক্তক্ষরণ তৈরি করে। এখন সময় এসেছে দলমত নির্বিশেষে ময়মনসিংহের উন্নয়নের কথা চিন্তা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার। আমি মনে করি, ময়মনসিংহের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের কোন বিকল্প নেই। উন্নয়ন প্রশ্নে এ লক্ষেই সবাইকে একযোগে কাজ করে যেতে হবে। আমিনুল হক শামীম আরো বলেন প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার সুদুর প্রসারী পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে আমরা বিভাগ, সিটি কর্পোরেশন, শিক্ষা বোর্ড, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, হালুয়াঘাট পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ৫০০ থেকে ১০০০ উন্নীত করন ইত্যাদি আমরা উপহার হিসেবে পেয়েছি। সুতরাং প্রধানমন্ত্রীর শ্রেষ্ঠ উপহার ময়মনসিংহ বিভাগের সকল কর্মকান্ডকে আরো বেগবান করার মানসে আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে ময়মনসিংহের উন্নয়ন প্রশ্নে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এগুতেই গুরুত্বপূর্ণ ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসন থেকে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলাম। দীর্ঘদিনের অনুন্নয়নের অচলায়তন ভেঙে সমৃদ্ধির পথে ময়মনসিংহকে এগিয়ে নিয়ে যেতে স্বপ্ন দেখেছি। আমিনুল হক শামীম আরো বলেন বলেন আমি বিশ্বাস করি, রাজনৈতিক ও সামাজিক উদ্যোগেই নিজেদের অধিকার আদায় করে নিতে হয়। আমি সংসদ সদস্য না হলেও অতীতের মতোই আপনাদের আপনজন হিসেবেই কাজ করবো। আপনাদের পাশে থাকবো। আমি কথা দিচ্ছি, নতুন বিভাগীয় শহরের সার্বিক উন্নয়ন, এই অঞ্চলের শিক্ষিত ও বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন নতুন শিল্পকারখানা গড়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবো। অতীতের মতোই সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে আপোসহীন থাকবো। অর্থাৎ জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুন্য সহিষ্ণু নীতি (জিরো টলারেন্স) অনুসরণ করে যাবো। সন্ত্রাস-মাদকের প্রশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে আইনের আওতায় আনারও জোর দাবি জানাচ্ছি।
আমিনুল হক শামীম বলেন আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ময়মনসিংহের উন্নয়নের প্রশ্নে যতোসব বাঁধা-বিপত্তি রয়েছে সেগুলো দূর করতে তিনি সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে জাগরণ সৃষ্টি করতে সক্ষম হবেন। আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করতে পারবেন বলে আমি আশাবাদী। আগামী ৩০ ডিসেম্বর ব্যালট বিপ্লব হবে জোটের পক্ষেই ইনশাআল্লাহ।