| |

Ad

নেত্রকোণায় কেন্দুয়ার মহিউদ্দিন আহমেদসহ আটজনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে মামলা

আপডেটঃ 5:38 am | March 01, 2018

দুলাল,কেন্দুয়া( নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণায় কেন্দুয়ার মহিউদ্দিন আহমেদসহ আটজনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে বিচারিক হাকিম আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয়ের আরো পাঁচ জন রয়েছেন। বুধবার এই মামলাটি দায়ের করেন, কেন্দুয়া উপজেলা হারুলিয়া গ্রামের শিব্বির আহমেদ। অভিযুক্তরা হচ্ছেন- একই গ্রামের আবু আশরাফ মিসবাহ উদ্দিন (৭৭), মহি উদ্দিন আহমেদ (৭০) , গাজী রহমান ওরফে আলতু মিয়া (৮০)।
আসামীদের মধ্যে মহি উদ্দিন আহমেদ কেন্দুয়া উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি ও কেন্দুয়া ডিগ্রী কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য বলে জানান, মামলার বাদি শিব্বির আহমেদ।নেত্রকোণা বিচারিক হাকিম আদালত-৪ এর বিচারক সৈয়দ আব্দুল্লাহ-আল – হাবিব মামলাটি পরবর্তী আদেশের জন্যে ৭ মার্চ দিন ধার্য করেছেন বলে জানিয়েছেন বাদি পক্ষের আইনজীবী মো: শহিদুল্লাহ ।মামলার নথির বরাত দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, আসামীরা স্বাধীনতা বিরোধী সংগঠন শান্তি কািমটি গঠন করে। পরে তারা এলাকায় রাজাকার, আলবদর ও আল শামছ বাহিনী গঠন করে নিরীহ মানুষ হত্যা, নারী ধর্ষণসহ অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ চালানোর আভিযোগ আনা হয়। মুক্তিযুদ্ধের শুরুর সময় বাংলা ১৩৭৮ সালের ৭ ভাদ্র দুপুরে আসামীরা পাক সেনাদের নিয়ে কেন্দুয়া উপজেলার চিথোলিয়া পাল বাড়িতে আগ্নি সংযোগ, আশুতোষ পালসহ সাতজনকে গুলি করে হত্যা, গোপালাশ্রম গ্রামের ধর বাড়ি, ডাক্তার বাড়ি আগুন দিয়ে পোড়ানোর অবিযোগ আনা হয়। এর পাঁচ দিনের মাথায় ১২ ভাদ্র শুক্রবার আসামীরা এলাকার চিকিৎসক খগেন্দ্র বিশ্বাসসহ চারজনকে ধরে ধোপাগাতি গ্রামের জামে মসজিদের সামনে ডোবায় রাজী নদীর নালায় হত্যা করে ফেলে রাখে। একই দিন এলাকায় বহু বাড়ি-ঘরে আগ্নিসংযোগ, লুটতরাজ ও ধর্ষণ চালানোর অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার দুই দিনই আসামী ও পাকসেনাদের যৌথভাবে চালানো নির্যাতন হত্যা, অগ্নিসংযোগের সময় গুলিতে আহত হন বহু মানুষ। এদের মধ্যে সে সময়কার আহত হয়ে গুলি শরীরে বহন করে চলা রশিদা আক্তার নামে এক নারীসহ ৫০জনকে মামলায় স্বাক্ষী করা হয়েছে।