| |

Ad

নেত্রকোনার মদনের শিশু অপহরণকারী চট্রগ্রাম থেকে গ্রেফতার

আপডেটঃ 3:55 am | November 13, 2017

তোফাজ্জল হোসেন,মদনঃ নেত্রকোনার মদনে ১২ বছরের শিশু অপহরণকারী সুমন নামের রাজমিস্ত্রী (২৭) কে চট্রগ্রামের নারিকেল তলায় মা বাবার ভাড়া বাসা থেকে জনতার সহযোগীতায় অপহরণের দুইদিন পর শনিবার অপহরণকারীসহ শিশুটিকে উদ্ধার করে মদন থানার পুলিশ। রোববার বিকালে তাকে থানায় নিয়ে আসে। অপহরণকারী উপজেলার পরশখিলা কুমারিকোনা গ্রামের রাজমিস্ত্রী আবুল কাশেমের ছেলে। সে দক্ষিণ বালালী গ্রামে মেয়ের নানার বাড়িতে রাজমিস্ত্রী কাজে নিয়োজিত ছিল।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায় , বৃহস্পতিবার বুদ্ধি প্রতিবন্ধি নবজাগরণ কিন্ডার গার্ডেনের ৫ম শ্রেনির ছাত্রী সমাপনীর টেস্ট দিয়ে বাড়ি নানার বাড়ী দক্ষিণ বালালীতে ফেরার পথে নিখোঁজ হয়। সে উপজেলার দক্ষিণ বালালী গ্রামের নাজমুল হকের শিশু কন্যা ।
এ ব্যাপারে শুক্রবার মেয়ের বাবা নাজমূল হক বাদী হয়ে প্রতারক সুমন সহ ৫ জন কে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৭/৩০ ধারায় মদন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে পুলিশ কেন্দুয়া উপজেলা বলাইশিমুল গ্রামে সুমনের খালু রফিকুল ইসলামকে আটক করা হলে তার স্বীকার উক্তিতে ছেলে ও মেয়ে চট্টগ্রামে আছে সন্ধান নিশ্চত করেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ চট্টগ্রামে সুমনের বাবা-মায়ের ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী সুমন আটক করে এবং ৫ম শ্রেনির ছাত্রীকে উদ্ধার করে রোববার মদন থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
এ ব্যাপারে অপহৃতা ৫ম শ্রেনির ছাত্রী জানান, সুমন আমাকে পানি খাওয়ালে আমি স্মরণ শক্তি হারিয়ে ফেলি। আমি আমার বাবা ও ভাইকে পর্যন্ত চিনতে পারছিনা। সুমনের পরিবারের লোকজন আমার কাপড় পরিবর্তন করলেও আমি বুঝতে পারি নাই।
মেয়ের বাবা নাজমুল হাসান জানান, বৃহস্পতিবার আমার মেয়ে ৫ম শ্রেনির মডেল টেস্ট পরিক্ষা দিতে বালালী নবজাগরন কিন্ডার গার্ডেন স্কুলে যায়। এর পর সে নিখোঁজ হয়। এ ব্যাপারে মদন থানায় মামলা করলে পুলিশ চট্ট্রাগ্রাম থেকে অপহরণকারী সুমনসহ আমার মেয়েকে উদ্ধার করে। আমি এই ঘটনার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানাই।
শিশুটির মা লাভলী আক্তার বলেন, আমার শিশুটি সহজ সরল,তাকে প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করা হয়েছে। আমি এর চূড়ান্ত শাস্তির দাবী করছি।
অভিযুক্ত সুমন জানান, আমি তাকে অপহরণ করেনি।
এ ব্যাপারে মদন থানার ওসি মোঃ শওকত আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মেয়েটির অপরহনের পর শুক্রবার মেয়ের বাবা থানায় এসে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৩০ ধারায় ৫ জনকে আসমাী করে একটি মামলা দায়ের করেন। এরই পেক্ষিতে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রাম থেকে প্রতারক সুমন আটক গ্রেফতার করা হয়েছে ও অপহৃতা ৫ম শ্রেনির ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। সোমবার আসামীদের কে নেত্রকোনার কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হবে।
ন্য ব্যক্তিবর্গরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে বাদ আছর ময়মনসিংহ পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের সানকিপাড়া রোড হইতে কলেজ রোড ভায়া গুলকীবাড়ী রোডের জলাবদ্ধতা নিরসন ও নিষ্কাষন ব্যবস্থার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করা হয়।