| |

Ad

হাইজ্যাক, বাস পুড়ানো, অবরোধ, চুরি, ডাকাতিসহ সকল অপরাধের দৃশ্যই রেকর্ড হচ্ছে ময়মনসিংহের মহাসড়কে সিসি ক্যামেরার দৃশ্য দেখে অভিভূত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব

আপডেটঃ 8:30 am | February 13, 2018

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ৬৫ কিলোমিটার এখন সিসি ক্যামেরার আওতায়। এতে ধরা পড়ছে অপরাধীরা; দুর্ঘটনা রোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনও সহজ হচ্ছে। ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগটি নিয়েছেন ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম। পুলিশ সুপার অফিস সংলগ্ন সুপরিসর সিসি ক্যামেরা কন্ট্রোল রুম ও মিডিয়া সেন্টার সোমবার সকালে পরিদর্শনের আসেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সাজ্জাদুল হাসান। টাকা হাইজ্যাক, পেট্রোল দিয়ে বাস পুড়ানো, সড়ক অবরোধ, চুরি, ডাকাতিসহ নানা অপরাধের সাথে জড়িতদের সনাক্ত করার সচিত্র দৃশ্য এবং পরবর্তীতে অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার বিভিন্ন দৃশ্য উপস্থাপন করা হয়। অভূতপূর্ব দৃশ্য অবলোকন করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব অভিভূত হন। তিনি জানান সারাদেশের মহাসড়কে সিসি ক্যামেরায় আওতায় আসলে অপরাধ অনেকাংশে হ্রাস পেতো। নেত্রকোণা জেলায় এরূপ সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন।ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম জানান, শ্রীপুরের নাসির গ্ল্যাস থেকে ময়মনসিংহের মাসকান্দা পর্যন্ত মহাসড়কের ৬৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সিসি ক্যামেরা আওতায় আনা হয়েছে যা বাংলাদেশে এটিই প্রথম। ১২ কোরের অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে হাই রেজুলেশনের ২৬৫টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ময়মনসিংহ অংশের পুরোটাই এখন ক্যামেরার আওতায়। পুরো মহাসড়ক ঘরে বসেই নজরে রাখছেন কর্মকর্তারা। ২৪ ঘণ্টা চালু থাকছে এ সিসি ক্যামেরা ও মনিটরিং। ২৬৫ সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে মহাসড়কে। এগুলো আইপি ক্যামেরা (ইন্টারনেট প্রটোকল ক্যামেরা)। একটি ক্যামেরা প্রায় ১ কিলোমিটার এলাকা কাভার করতে পারে। মনিটরিং কক্ষটি জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পাশে। ২৪ ঘণ্টা কর্মকর্তারা নজর রাখছেন। মূল মনিটরটি ২১ ফুট। উচ্চতা ১০ ফুট।সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, ‘এখন আমার স্বপ্ন ময়মনসিংহ শহর সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা। এ জন্য বিভিন্ন স্থানে ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে। শিগগিরই শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো ক্যামেরার আওতায় চলে আসবে। এতে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, ইভ টিজিং, যানজট সমস্যার সমাধান অনেকটা সম্ভব হবে।’ এদিকে ময়মনসিংহ শহর সিসি ক্যামেরায় আওতায় আনতে হলে আরো প্রায় এক কোটি টাকা প্রয়োজন। বিভিন্ন ব্যাংক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং ব্যাক্তি পর্যায়ের লোকজনের দান অনুদানের মাধ্যমে এই বিশায় যজ্ঞ বাস্তাবায়িত হচ্ছে। আগ্রহী দানশীল ব্যক্তিদেও এই মহতি কাজের বাকী প্রয়োজন মেটাতে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম।