| |

Ad

ময়মনসিংহের তারাকান্দার চাড়িয়া বাজার মুক্তিযোদ্ধা সংসদে চরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা অধ্যক্ষ জামাল উদ্দিনের পিতা মরহুম জমির উদ্দিন বেপারীর মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা শীর্ষক সভা জমির উদ্দিন বেপারীর ৫ টাকার ঋণ লাখ টাকা দিয়েও শোধ করা যাবে না-তোতা কমান্ডার

আপডেটঃ ১:৩৮ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৮

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলাধীন চাড়িয়া বাজারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে তারাকান্দা উপজেলার ’’চরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা অধ্যক্ষ মোঃ জামাল উদ্দিনের পিতা মরহুম জমির উদ্দিন মেম্বার (জমু বেপারী) এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভূমিকা শীর্ষক” আলোচনা ও মতবিনিময় সভা গত ২৯ জানুয়ারী সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ চাঁন মিয়া ফকিরের আহ্বানে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ১১ নং সেক্টর ফুলপুর ময়মনসিংহের যুদ্ধকালীন সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে.এম মুঞ্জুরুল হক তোতা মিয়া (তোতা কমান্ডার)। সঞ্চালনায় ছিলেন ফুলপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কাশেম সরকার। সভায় ৩০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা বক্তব্য রাখেন। সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ বলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় মরহুম জমির উদ্দিন বেপারীর ভুমিকা ছিল উজ্জ্বল ও প্রশংসনীয় । মুক্তিযোদ্ধাদের তার বাড়িতে আশ্রয় দিয়ে থাকা ও খাবারের ব্যবস্থা,নগদ টাকা পয়সা দিয়ে সহযোগিতা এবং বিভিন্ন প্রকার পরামর্শ দিতেন। সভাপতি তার সমাপণী বক্তব্যে বলেন জমির উদ্দিন বেপারী আমাকে নগদ ৫টি টাকা দিয়ে ভারতে যাওয়ার জন্য ব্যবস্থা করেন। তিনি ঐ সময় আমাকে সহযোগিতা না করলে আমার মুক্তিযুুদ্ধে অংশগ্রহণ করা সম্ভব হতো না। আমি তার কাছে ঋনী ও কৃতজ্ঞতা চিত্তে তার অবদানের কথা স্মরণ করছি।তিনি আরো বলেন আমার কোম্পানীর একজন সক্রিয় সদস্য হয়ে মরহুম জমির উদ্দিন মেম্বার কোম্পানীর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সার্বিক সহযোগিতা করেছেন। তার বাড়িটি ছিল আমাদের একটি আশ্রয়স্থল। সভায় উপস্থিত অনেক বয়োজেষ্ঠ্য হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যক্তিগন বলেন মরহুম জমির উদ্দিন মেম্বার আমাদের নিরাপত্তা দিয়ে ভারতে যাওয়ার ব্যবস্থা এবং টাকা ও খাদ্য দিয়ে সহায়তা করেছিলেন । বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ চাঁন মিয়া ফকির তার শুভেচ্ছা ও স্বাগত বক্তব্যে বলেন ,রণাঙ্গনের অনেক সাথী ভাইদেরকে নিয়ে আমি ও আমাদের তোতা কোম্পানির বীরমুক্তিযোদ্ধাগন জমির উদ্দিন বেপারীর বাড়ীতে আশ্রয় নিয়ে রাত্রিযাপন করেছি এবং এখান থেকেই যুদ্ধের পরিকল্পনা করে পাক হানাদার বাহিনীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছি। যুদ্ধকালীন সময়ে প্রাণভয়ে কেউ মুক্তিযোদ্ধাদেরকে বাড়ীতে রাত্রি যাপন ও থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করতে ভয় পেতো । কিন্তু তিনি ছিলেন তার ব্যতিক্রম ।অত্যন্ত সাহসী ও খাঁটি বাঙ্গালী ।জীবনের মায়া ছেড়ে মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সহযোগীতা করেছেন।এমন একজন দেশপ্রেমিক ও খাঁটি বাঙ্গালী সম্পর্কে কেউ আপত্তিকর মন্তব্য করলে মনে হয় মন্তব্যকারীরাই দেশদ্রোহী ও স¦াধীনতা বিরোধী। আমি তাদেরকে ঘৃণা করি । মরহুম জমির উদ্দিন বেপারী ছিলেন একজন স্বাধীনচেতা সৎ ও ধনী মানুষ ।তিনি মুক্তিযোদ্ধাদেরকে নিজ সন্তানের মত ¯েœহ ভালবাসা দিয়ে আগলে রেখেছেন।তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এবং বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।তার সুযোগ্য ছেলে অধ্যক্ষ মোঃ জামাল উদ্দিন অনেক কষ্ট করে বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।তারাকান্দার অবহেলিত পূর্বাঞ্চলে এইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার কারণে দরিদ্র মানুষের সন্তান লেখাপড়া করে মানুষ হচ্ছে।অধ্যক্ষ জামাল উদ্দিনের সমাজসেবা মূলক কার্যক্রম ও তার জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে দুষ্ট চক্র মিথ্যা অপপ্রচারে মেতে ওঠেছে। আমরা তাদের ধিক্কার জানাই।বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুস সোবহান বলেন আমরা জমির উদ্দিন বেপারীর কাছে ঋণী।তিনি ছিলেন আমাদের সহযোদ্ধা ও আশ্রয়দাতা।বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল গনি বলেন,জমির উদ্দিন মেম্বার একজন ন্যায় পরায়ন লোক ছিলেন।স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদান কতটুকু তার চেয়ে বড় হচ্ছে তিনি এলাকার মানুষকে হৃদয় দিয়ে ভালবাসতেন ।এক জন ভাল মানুষ সম্পর্কে বিষোদগার করা খুবই ঘৃনিত কাজ।প্রপাগান্ডা এমন একটি অস্ত্র,যা ধরা যায় না ও ছোঁয়া যায় না।তাই জনগনকে সজাগ থাকতে হবে।তিনি আরো বলেন প্রিন্সিপাল সাহেব আমাদের ভবিষ্যৎ ।আস্তে আস্তে এগিয়ে যাচ্ছেন।তাকে সহযোগিতা করা দরকার। প্রিন্সিপাল সাহেব এলাকার মানুষের কল্যাণে অনেক কিছু করেছেন।জনগনের কাজ করতে গিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন,লাভবান হচ্ছেন জনগন।বীরমুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন তালুকদার তার বক্তব্যে বলেন জমির উদ্দিন মেম্বার সাহেব আমার প্রতিবেশী।তিনি পাকহানাদার বাহিনীকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে কাজ করেছেন।মুক্তিযোদ্ধাদেরকে আশ্রয় দিয়ে ২০/৩০ মন চাউলের ভাত খাইয়েছেন। তিনি একজন মেম্বার হয়েও পাক হানাদার বাহিনীর বিপক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও দেশ স্বাধীন হওয়ার জন্য কাজ করেছেন। বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুস সোবহান বলেন,আমরা যখন গিয়েছি তখনই আমাদের খাওয়া থাকার ব্যবস্থা করেছেন। তার বাড়িটি ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের একটি অস্থায়ী ক্যাম্প।বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ রইচ উদ্দিন তার বক্তব্যে জমির উদ্দিন বেপারীর মুক্তিযুদ্ধের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ কছিম উদ্দিন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে বলেন ১২/১৪ জনকে নিয়ে এক সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন এর জন্য ভারতের দিকে রওনা দেই।তিনি আমাদেরকে যতœ সহকারে ইলিশ মাছ ও মুরগী জবাই করে খাওয়ান । আমাদেরকে ভারতে যাওয়ার জন্য সহযোগীতা করেন।আর এ কারণে আমি মুক্তিযোদ্ধা হয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করতে পেরেছি। বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন সরকার বলেন প্রিন্সিপাল জামাল সাহেব জনগনের কল্যাণে কাজ করছেন, এতে তার সুনাম জনপ্রিয়তা বাড়ছে। তার এই সুনামকে ও জনপ্রিয়তাকে ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য একটি দুষ্টচক্র অপপ্রচার করে মুক্তিযুদ্ধের একজন বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব মরহুম জমির উদ্দিন বেপারীকে আঘাত করে ফায়দা লুটতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে ।বীরমুক্তিযোদ্ধা আক্কাছ আলী ও বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হেকিম তাদের বক্তব্যে যুদ্ধকালীন সময়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন জমির উদ্দিন বেপারীর অবদান চির উজ্জল হয়ে আলোকবর্তিকা মত জ্বলতে থাকবে বলে মন্তব্য করেন। বক্তব্য রাখেন সর্ব জনাব বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন তোতা,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান,বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন,বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ চাঁন মিয়া,বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ফকির,বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্কাছ আলী,বীর মুক্তিযোদ্ধা হরেকৃষ্ণ সাহা,বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজ্বী মোঃ শাহজাহান ফকির , বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুস সামাদ,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হেকিম,বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল কাদির,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান,বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আজব আলী,বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল মালেক ফকির, বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্কাছ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল,বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইদ্রিস আলী,বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ এখলাছ উদ্দিন,বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কাজিম উদ্দিন প্রমূখ। বীর মুক্তিযোদ্ধাগন তাদের বক্তব্যে বলেন, যে ব্যক্তিটি মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবনবাজি রেখে কাজ করেছেন,নিজের বাড়িকে মুক্তিযুদ্ধের অস্থায়ী ক্যাম্প হিসেবে ব্যবস্থা করার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন,রণকøান্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে কাজ করেছেন,১১ নং সেক্টরের সাথে একাকার হয়ে গিয়ে ছিলেন তাকে নিয়ে যদি কেউ প্রশ্ন তুলে, তখন মুক্তিযোদ্ধাদের হৃদয়ে আঘাত আসে।একজন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত সেবক পৃষ্ঠপোষককে অবমূল্যায়ন করার জন্য অপপ্রচার যারা চালাবে মুক্তিযোদ্ধাগন কোন অবস্থাতেই তাদেরকে ক্ষমা করবে না । অনুষ্ঠানটি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মিলন মেলায় পরিণত হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কাশেম সরকার আবেগ আপ্লুত কন্ঠে বক্তব্য রাখেন এবং অতীত স্মৃতি চারন করেন।তাঁর ছাত্র জীবনের সোনালী অধ্যায় সামনে টেনে আনেন ।তিনি বলেন, আমি তখন ছাত্রলীগ করতাম ,পাক হানাদার বাহিনী আসছে খবর পেয়ে ছাত্রলীগের কর্মীরা এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তুলি।প্রতিরোধ শ্রমিক হিসাবে কাজ করে শেষে ভারতে চলে যাই। গোধূলী লগ্নে বাড়ি থেকে গামছা নিয়ে রওনা হই। চাড়িয়া গুদারাঘাট দিয়ে নদী পার হই। সাথে ছিল সিদ্দিক মাষ্টার সাহেব।সিদ্দিক মাষ্টারকে লক্ষ্য করে জমির উদ্দিন বেপারী সাহেব আমাদেরকে ডাক দেন।আমরা তিনজন জমির মেম্বার সাহেবের বাড়িতে রাত কাটাই। তাঁর সহযোগিতা নিয়ে আমরা ভারতে যাই। তিনি ছিলেন একজন খাঁটি বাঙ্গালী । মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য তার নিজ বাড়ি উন্মক্ত করে অস্থায়ী ক্যাম্পে পরিণত করেন।মিথ্যা অপবাদ দিয়ে এই মানুষটিকে যারা কলংকিত করতে চায় আমরা মুক্তিযোদ্ধারা তা কোন অবস্থাতেই বরদাশত করবনা। সভাপতি তার বক্তব্যে স্পষ্ঠ ভাষায় এবং একাধিকার বলেন আমি জমির উদ্দিন বেপারী সাহেবের কাছে ঋণী।তিনি ৫ টাকা দিয়ে সাহায্য না করলে আমি মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করতে পারতাম না। সেই ৫ টাকার ঋণ লাখ টাকা দিয়ে ও শোধ করা যাবে না।সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে.এম মুঞ্জুরুল হক তোতা মিয়া (তোতা কমান্ডার) আরো বলেন জমির উদ্দিন বেপারী সাহেব আমার কোম্পানীর সাথে সম্পৃক্ত থেকে কাজ করে আমাদের শক্তি যুগিয়েছেন। এ কারণে এখন আমি তার ছেলে অধ্যক্ষ জামাল উদ্দিনের কাছেও ঋণী হয়ে গেছি।মুক্তিযোদ্ধাদের এ সভায় স্থানীয়দের বেশ কয়েকজন বয়োজেষ্ঠ্য হিন্দু ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। দিনেশ ও সুজন বলেন আমাদেরকে টাকা খাদ্য দিয়ে সাহায্য করে নৌকা ভাড়া করে ভারতে নির্বিঘেœ যাবার ব্যবস্থা করে ছিলেন জমির উদ্দিন মেম্বার। তিনি নিরাপত্তা না দিলে ওই সময় আমাদের কি সর্বনাশ হতো তা জানিনা। আমরা তার কাছে ঋণী । কথা বলতে গিয়ে তাঁরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।সৃষ্টি হয় হৃদয় বিদারক দৃশ্যের।মুক্তিযোদ্ধাদের এ সভাটি পরবর্তীতে জন সভায় রূপান্তরীত হয়। জনতার সরব উপস্থিতি এবং তাদের ঠাঁই নিরব দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য মরহুম জমির উদ্দিন বেপারী প্রতি শ্রদ্ধা এবং তাঁর সুযোগ্যপুত্র অধ্যক্ষ জামাল উদ্দিন এর প্রতি আকুন্ঠ ভালবাসারই প্রতিপলন ঘটেছে।সঞ্চালক সভায় উপস্থিত অধ্যক্ষ মোঃ জামাল উদ্দিনকে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং জনতার উদ্দেশ্যে কিছু বলার জন্য বলেন, এ সময় অধ্যক্ষ মোঃ জামাল উদ্দিন তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আপনারা আমার মরহুম পিতার প্রতি যে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা দেখিয়েছেন সেই জন্য আমি আপনাদের কাছে ঋণী হয়ে গেলাম।মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার পিতার যে অবদান রয়েছে তা আপনাদের কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুনতে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দ অনুভব করছি ।আজীবন আপনাদের পাশে থেকে সেবা করে যাব এ প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।